Friday, September 29, 2023

হজ্ব এর নিয়ম ও গুরুত্ব

 হজ্জ, ইসলামের একটি মৌলিক ধার্মিক প্রতিষ্ঠান, এটি মুসলিমদের প্রতি বছরে একবার সাউদি আরবের মক্কা শহরে অবশ্যই যাত্রা করতে হয়। হজ্জ একটি ধার্মিক আবাদ, এটি মুসলিমদের দীন এবং আল্লাহের সাথে একটি গভীর সাক্ষর যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের আত্মবিশ্বাস এবং ধার্মিক নির্ভরণ বৃদ্ধি করে। হজ্জ একটি ধার্মিক যাত্রা, যা মুসলিমদের সমাজে একত্রিত হওয়া এবং তাদের আল্লাহের কাছে আত্মবিশ্বাস এবং ধার্মিক নির্ভরণ প্রদান করে।



হজ্ব এর গুরুত্ব:

  1. আল্লাহের অনুগ্রহের অংশ: ইসলামে হজ্জ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধার্মিক যাত্রা, যা মুসলিমদের আল্লাহের দিকে একটি মহত্বপূর্ণ সাক্ষর যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের আত্মবিশ্বাস এবং ধার্মিক নির্ভরণ বৃদ্ধি করে। হজ্জ একটি মুসলিমের আল্লাহের সাথে একটি সাক্ষর যোগাযোগের সাথে তাদের মনোবল এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে।

  2. মুসলিম একত্রিত হওয়া: হজ্জে যাওয়া একটি সমাজের মুসলিমদের একত্রিত হওয়ার সুযোগ সরবরাহ করে, এটি মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি একত্রিত হওয়ার মাধ্যমে একটি মুখোমুখি অভিজ্ঞতা সরবরাহ করে এবং তাদের আল্লাহের কাছে আত্মবিশ্বাস এবং ধার্মিক নির্ভরণ বৃদ্ধি করে।

  3. গুণগত শুধু মানসিক বৃদ্ধি নয়, শারীরিক শুদ্ধি এবং সাবক্ষর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ: হজ্জে যাওয়া মুসলিমদের শারীরিক শুদ্ধির অংশ সরবরাহ করে, এটি পাপের মুক্তির সাথে সাথে নিজেদের নিজের আল্লাহের সাথে সাক্ষর যোগাযোগ এবং নিজের নিজের সাথে অধিক প্রেমের ব্যক্তিগত মাধ্যম।

হজ্ব এর বর্ণনা:

হজ্জে যাওয়া একটি সাত দিনের ধার্মিক যাত্রা হয়, যা মুসলিমদের সাউদি আরবের মক্কা শহরে করতে হয়। হজ্জে সম্প্রদায়ের মুসলিম সদস্যরা সাউদি আরবে এসে তাদের ধার্মিক কর্তব্য পালন করতে হয়, যা প্রধানভাবে নিম্নলিখিত কিছু পদক্ষেপে সম্পাদন করা হয়:

  1. **ইহরাম পর্যন্ত পৌঁছান: ** হজ্জে যাওয়ার আগে মুসলিমদের ইহরাম পর্যন্ত যাওয়া হয়, যা একটি ধার্মিক উপাসনা পূর্বক একটি ধার্মিক পৌঁছান দেয়।

  2. **সাউদি আরবের মক্কা শহরে হজ্জে যাওয়া: ** মুসলিম হজ্জগুলি সাউদি আরবের মক্কা শহরে যাওয়া হয় এবং তাদের সাথে হজ্জ সম্পর্কের প্রস্তুতি শুরু করে।

  3. **তাওয়াফ করা: ** মুসলিমদের মক্কা শহরে প্রতিষ্ঠান তাওয়াফ করতে হয়, যা মক্কা কাবা নামক ধার্মিক প্রতীকের সামনে ঘুরে ঘুরে চক্রাকারে পালন করা হয়।

  4. **আরফাতে যাওয়া: ** হজ্জের একটি মৌলিক অংশ হল আরফাতে যাওয়া, যা মুসলিমদের একটি পুর্ন যাত্রা পরিচালনা করে, এটি সাউদি আরবের মক্কা শহর থেকে কিলোমিটার দুই দুরে অবস্থিত।

  5. **জামরাত পাস করা: ** হজ্জের প্রতি দিন মুসলিমদের স্টোনে প্রতিষ্ঠান জামরাতে পাস করতে হয়, যেখানে তাদের পাপ এবং অবিবাদ ফেলা হয়।

  6. **তাওয়াফ ইফাদা করা: ** পর্ণযাত্রা সমাপ্ত হওয়ার পর মুসলিমদের মক্কা শহরে তাওয়াফ ইফাদা করতে হয়, যা একটি ধার্মিক পূর্ণাঙ্গ আবাদ পরিচালনা করে এবং হজ্জের এই অংশের জন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ।

হজ্জে যাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ইসলামিক ধার্মিক পূর্ণাঙ্গ আবাদ, এটি মুসলিমদের আল্লাহের সাথে একটি মহত্বপূর্ণ সাক্ষর যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের আত্মবিশ্বাস এবং ধার্মিক নির্ভরণ বৃদ্ধি করে। হজ্জে যাওয়া একটি সাত দিনের ধার্মিক যাত্রা, যা মুসলিমদের সাউদি আরবের মক্কা শহরে অবশ্যই যাত্রা করতে হয়।


Get Hajj Offer Now

রোজার গুরুত্ব

 রোজা ইসলামের একটি মৌলিক ধর্মীয় আবাদ, এটি মুসলিমদের প্রতি বছরের একমাস, রমজান মাসে প্রতিদিন সূর্যাস্তের সময় থেকে সূর্যাস্তের সময় পর্যন্ত পালন করা হয়। এটি ইসলামের পাঁচটি প্রধান আবাদের মধ্যে একটি এবং এটির গুরুত্ব অত্যন্ত উচ্চ। রোজার গুরুত্বের সাথে সাথে সংযোগিত কিছু মূল মূল্যবান দিক আমরা এই লেখায় দেখতে চেষ্টা করবো।



রোজার গুরুত্ব:

  1. আল্লাহের অনুগ্রহের অংশ: ইসলামে রোজা একটি সাক্ষর আবাদের রূপ, এটি মুসলিমদের আল্লাহর সাথে একটি মহত্বপূর্ণ সাক্ষর যোগাযোগের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস এবং ধার্মিক নির্ভরণ বৃদ্ধি করে। রোজা পালন করে মুসলিমদের আল্লাহের কাছে অনুরূপ এবং পূর্ণাঙ্গ ইবাদতের জন্য তাদের প্রস্তুতি করে এবং তাদের ধার্মিক সম্পর্ক সুরক্ষিত রাখে।

  2. নিজের নিয়ত এবং নিগতের মাধ্যমে সমর্থন: রোজা একটি মুসলিমের নিজের আল্লাহের কাছে তাদের ইচ্ছাশক্তি এবং নিয়ত প্রকাশ করার একটি মাধ্যম। এটি নিজেকে অনুগ্রহ এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে সংযোগিত করে এবং মুসলিমদের নিজের আল্লাহের সাথে মানসিক যোগাযোগের মাধ্যমে অত্যন্ত ধার্মিক অত্যন্ত মানসিক সুরক্ষা এবং প্রাপ্তি সরবরাহ করে।

  3. সাহানুতা ও ধার্মিক জীবনের পুনর্নির্মাণ: রোজা মুসলিমদের সাহানুতা এবং আল্লাহের অনুগ্রহের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে। এটি মুসলিমদের ধার্মিক জীবনের পুনর্নির্মাণ সরবরাহ করে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস এবং ধার্মিক নির্ভরণ বৃদ্ধি করে।

  4. সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে একত্রিত হওয়া: রমজানে রোজা পালন করতে মুসলিমদের সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে সম্মিলিত হওয়া হয়, এটি মুসলিম সম্প্রদায়ের একত্রিত হওয়ার মাধ্যমে একটি মুখোমুখি অভিজ্ঞতা সরবরাহ করে এবং তাদের আল্লাহের কাছে আত্মবিশ্বাস এবং ধার্মিক নির্ভরণ বৃদ্ধি করে।

রোজার গুরুত্ব সমাপ্তি:

রোজা ইসলামে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আবাদ এবং এটি মুসলিমদের আল্লাহের সাথে একটি মহত্বপূর্ণ সাক্ষর যোগাযোগের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস এবং ধার্মিক নির্ভরণ বৃদ্ধি করে। এটি নিজেকে অনুগ্রহ এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে সংযোগিত করে এবং মুসলিমদের নিজের আল্লাহের সাথে মানসিক যোগাযোগের মাধ্যমে অত্যন্ত ধার্মিক অত্যন্ত মানসিক সুরক্ষা এবং প্রাপ্তি সরবরাহ করে। এটি মুসলিমদের আল্লাহের কাছে অনুরূপ এবং পূর্ণাঙ্গ ইবাদতের জন্য তাদের প্রস্তুতি করে এবং তাদের ধার্মিক সম্পর্ক সুরক্ষিত রাখে। এটি মুসলিমদের ধার্মিক জীবনের পুনর্নির্মাণ সরবরাহ করে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস এবং ধার্মিক নির্ভরণ বৃদ্ধি করে। রোজা একটি সাক্ষর আবাদের রূপ, এটি মুসলিমদের আল্লাহর সাথে একটি মহত্বপূর্ণ সাক্ষর যোগাযোগের মাধ্যম এবং তাদের ধার্মিক নির্ভরণ এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে।

নামাজের আর্থিক বৈশিষ্ট্য

 নামাজ: একটি আলোকিত যাত্রা ইসলামের একটি প্রধান আবাদভাব

নামাজ, ইসলামের একটি মৌলিক আবাদভাব, এটি মুসলিমদের প্রতিদিনের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নামাজ একটি পূর্নাঙ্গ ইবাদত ও যোগাযোগ প্রক্রিয়া, যা মুসলিমদের মৌখিক আবাদ ও মানসিক শৃংগার দুটি দিক থেকে পরিপূর্ণ করে। নামাজ সময় সময় প্রতিদিন পাঁচ টা মুসলিমীনের জীবনের আলোকিত পর্ব তৈরি করে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস ও ধর্মীয় নির্ভরণ বৃদ্ধি করে। এই লেখাটি নামাজের গুরুত্ব এবং এর প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করবে।



নামাজের গুরুত্ব:

নামাজ ইসলামের পাঁচ সর্বমোহন আবাদ মধ্যে একটি, যা মুসলিমদের আল্লাহর সাথে সর্বস্বস্বীকার ও সামর্থ্যের মন্ত্রণা করে। এটি মুসলিমদের ধর্মীয় নির্ভরণ এবং পূর্নাঙ্গ মানসিকতা নিয়ে আবার তৈরি করে তাদের দৈন্য, অনিশ্চয়তা, এবং প্রত্যক্ষপ্রত্যক্ষ দুশ্মনের সাথে লড়াইর দ্বার উত্তরাধিকার দেওয়ার জন্য শক্তি প্রদান করে। নামাজের মাধ্যমে মুসলিমদের আল্লাহর কাছে নিজেদের কোন গোপন বা অস্পষ্ট কাজ বা মন্তব্যের জন্য মন্ত্রণা করা হয়। এটি আল্লাহর সাথে নিজেদের নিজের মুখ দিয়ে কথা বলার একটি সহজ উপায় হয়, এবং তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে মুক্তিপ্রাপ্তির পথে সাহায্য করে।

নামাজের প্রক্রিয়া:

নামাজের সময় ও প্রক্রিয়া বিশেষভাবে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে, যা আল্লাহর সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। প্রতিটি নামাজে প্রাথমিক আলঙ্গার করার পর, মুসলিম অক্ষতি করে উঠে তাদের হাতের প্রাণবায়ু দির্ঘধারা বা উপরের দিকে উঠিয়ে তাদের আল্লাহর দিকে মুখ করে একটি মন্ত্র পড়ে। এরপর, নামাজের প্রতি আলোচনার মধ্যে আল্লাহর গুণগান এবং প্রশংসা বা কোন আল্লাহের নির্দিষ্ট গুণ অনুষ্ঠান সহিত একটি বিশেষ পদ্ধতিতে অন্বেষণ করে তাদের আল্লাহর সাথে প্রতি যোগাযোগ দেওয়া হয়। এরপর, মুসলিম আল্লাহর দিকে সুজুদে যায় এবং এই সুজুদে নামাজের সময় প্রতিটি প্রশ্নে আল্লাহ এবং নিজের বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা প্রদান করে। নামাজের প্রত্যেকটি ধাপ নিয়মিত মাধ্যমে পুনরাবৃত্তি করা হয় এবং নামাজের প্রক্রিয়া পর্যায়ক্রমে সমাপ্ত হয়।

নামাজের আর্থিক বৈশিষ্ট্য:

নামাজের অনেক আর্থিক বৈশিষ্ট্য আছে, সেগুলির মধ্যে মুসলিম সমুদায়ের একত্ব এবং সম্প্রেষণের মাধ্যমে তাদের ধর্মীয় জীবন স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়। নামাজের জন্য কোন পূর্ণস্থায়ী পুনঃবাস বা প্রাপ্তি প্রয়োজন নেই, এবং এটি প্রতিদিনের জীবনে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মুসলিমদের অস্বীকার্য করে যায়। এটি সাধারণভাবে প্রাপ্ত উপাদান ব্যয় করে না, এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আবাদে অত্যন্ত মানসিক সুরক্ষা এবং প্রাপ্তি সরবরাহ করে।

সমাপ্তি:

নামাজ ইসলামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এটি মুসলিমদের দৈন্য, ধর্মীয় নির্ভরণ, এবং আল্লাহর সাথে যোগাযোগের একটি মৌলিক উপায় প্রদান করে। নামাজ একটি আলোকিত যাত্রা, যা মুসলিমদের ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় জীবন সমৃদ্ধ করে এবং তাদের সম্পর্ক নিয়ে উন্নতি করে। এটি নামাজের মাধ্যমে মুসলিমদের আল্লাহর সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে এবং তাদের মানসিক ও আধ্যাত্মিক বৃদ্ধি করে

Monday, April 22, 2013

নামাজের কোনো বিকল্প নেই

আপনি যদি একজন মুসলমান হয়ে থাকেন, তবে আপনার উপর নামাজ ফরজ, নামাজ থেকে বিরত থাকার ভয়াবহ পরিনতির কথা আপনার আমার আমাদের সকলের  প্রতি মুহুর্তে স্মরণ করা উচিত, আল্লাহ কুরআনে শুধু মাত্র নামাজের কথাই ৮২ বার উল্লেখ করেছেন, শুধু তাই নয় আমাদের রাসুল (সা) মৃত্যুর আগে একটা কথাই উচ্চারণ করেছিলেন আর তা হচ্ছে নামাজ, তার প্রিয় উম্মতরা যেন নামাজ ছেড়ে না দেয়, আমরা যেন কাজের দোহাই দিয়ে নামাজ থেকে সরে না যাই, যারা নামাজ পড়িনা, তারা যেন কাল থেকে নয় আজ থেকেই নামাজ শুরু করি,  কোনো অজুহাতে নামাজ থেকে বেচে থাকার কোনো সুযোগ নেই, জাহান্নামের আগুন থেকে বাচার আর কোনো পথ নেই, আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন, নামাজের মাধ্যমেই আমরা যেন পরিবারে, সমাজে, রাষ্ট্রে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারি, আল্লাহ আমাদের সেই তাওফিক দান করুন... আমীন ।  

Saturday, April 20, 2013

ইসলামে কবিরা গুনাহ ...

1. আল্লাহর সাথে শিরক করা

2. নামায পরিত্যাগ কর


3. পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া

4. অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা

5. পিতা-মাতাকে অভিসম্পাত করা

6. যাদু-টোনা করা

7. এতীমের সম্পদ আত্মসাৎ করা

8. জিহাদের ময়দান থেকে থেকে পলায়ন

9. সতী-সাধ্বী মু‘মিন নারীর প্রতি অপবাদ

10. রোযা না রাখা

11. যাকাত আদায় না করা

12. ক্ষমতা থাকা সত্যেও হজ্জ আদায় না করা

13. যাদুর বৈধতায় বিশ্বাস করা


14. প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া


15. অহংকার করা

16. চুগলখোরি করা (ঝগড়া লাগানোর উদ্দেশ্যে একজনের কথা আরেকজনের নিকট লাগোনো)

17. আত্মহত্যা করা

18. আত্মীয়তা সম্পর্ক ছিন্ন করা

19. অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ ভক্ষণ করা

20. উপকার করে খোটা দান করা


21. মদ বা নেশা দ্রব্য গ্রহণ করা

22. মদ প্রস্তুত ও প্রচারে অংশ গ্রহণ করা

23. জুয়া খেলা

24. তকদীর অস্বীকার করা

25. অদৃশ্যের খবর জানার দাবী করা

26. গণকের কাছে ধর্না দেয়া বা গণকের কাছে অদৃশ্যের খবর জানতে চাওয়া

27. পেশাব থেকে পবিত্র না থাকা

28. রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নামে মিথ্যা হাদীস বর্ণনা করা

29. মিথ্যা স্বপ্ন বর্ণনা করা


30. মিথ্যা কথা বলা


31. মিথ্যা কসম খাওয়া

32. মিথ্যা কসমের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করা

33. জিনা-ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া


34. সমকামিতায় লিপ্ত হওয়া

35. মানুষের গোপন কথা চুপিসারে শোনার চেষ্টা করা

36. হিল্লা তথা চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে করা।


37. যার জন্যে হিলা করা হয়

38. মানুষের বংশ মর্যাদায় আঘাত হানা

39. মৃতের উদ্দেশ্যে উচ্চস্বরে ক্রন্দন করা


40. মুসলিম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা

41. মুসলিমকে গালি দেয়া অথবা তার সাথে লড়ায়ে লিপ্ত হওয়া

42. খেলার ছলে কোন প্রাণীকে নিক্ষেপ যোগ্য অস্ত্রের লক্ষ্য বস্তু বানানো

43. কোন অপরাধীকে আশ্রয় দান করা


44. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে পশু জবেহ করা


45. ওজনে কম দেয়া

46. ঝগড়া-বিবাদে অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করা

47. ইসলামী আইনানুসারে বিচার বা শাসনকার্য পরিচালনা না করা

48. জমিনের সীমানা পরিবর্তন করা বা পরের জমি জবর দখল করা

49. গীবত তথা অসাক্ষাতে কারো দোষ চর্চা করা


50. দাঁত চিকন করা

51. সৌন্দর্যের উদ্দেশ্যে মুখ মণ্ডলের চুল তুলে ফেলা বা চুল উঠিয়ে ভ্রু চিকন করা

52. অতিরিক্ত চুল সংযোগ করা

53. পুরুষের নারী বেশ ধারণ করা

54. নারীর পুরুষ বেশ ধারণ করা

55. বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কামনার দৃষ্টিতে তাকানো

56. কবরকে মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করা

57. পথিককে নিজের কাছে অতিরিক্ত পানি থাকার পরেও না দেয়া

58. পুরুষের টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে পোশাক পরিধান করা

59. মুসলিম শাসকের সাথে কৃত বাইআত বা আনুগত্যের শপথ ভঙ্গ করা

60. ডাকাতি করা


61. চুরি করা

62. সুদ লেন-দেন করা, সুদ লেখা বা তাতে সাক্ষী থাকা

63. ঘুষ লেন-দেন করা

64. গনিমত তথা জিহাদের মাধ্যমে কাফেরদের নিকট থেকে প্রাপ্ত সম্পদ বণ্টনের পূর্বে আত্মসাৎ করা

65. স্ত্রীর পায়ু পথে যৌন ক্রিয়া করা

66. জুলুম-অত্যাচার করা

67. অস্ত্র দ্বারা ভয় দেখানো বা তা দ্বারা কাউকে ইঙ্গিত করা

68. প্রতারণা বা ঠগ বাজী করা

69. রিয়া বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে সৎ আমল করা

70. স্বর্ণ বা রৌপ্যের তৈরি পাত্র ব্যবহার করা

71. পুরুষের রেশমি পোশাক এবং স্বর্ণ ও রৌপ্য পরিধান করা

72. সাহাবীদের গালি দেয়া

73. নামাযরত অবস্থায় মুসল্লির সামনে দিয়ে গমন করা

74. মনিবের নিকট থেকে কৃতদাসের পলায়ন

75. ভ্রান্ত মতবাদ জাহেলী রীতিনীতি অথবা বিদআতের প্রতি আহবান করা

76. পবিত্র মক্কা ও মদীনায় কোন অপকর্ম বা দুষ্কৃতি করা


77. কোন দুষ্কৃতিকারীকে প্রশ্রয় দেয়া

78. আল্লাহর ব্যাপারে অনধিকার চর্চা করা

79. বিনা প্রয়োজনে তালাক চাওয়া

80. যে নারীর প্রতি তার স্বামী অসন্তুষ্ট

81. স্বামীর অবাধ্য হওয়া

82. স্ত্রী কর্তৃক স্বামীর অবদান অস্বীকার করা

83. স্বামী-স্ত্রীর মিলনের কথা জনসম্মুখে প্রকাশ করা

84. স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিবাদ সৃষ্টি করা


85. বেশী বেশী অভিশাপ দেয়া 


86. বিশ্বাস ঘাতকতা করা


87. অঙ্গীকার পূরণ না করা


88. আমানতের খিয়ানত করা


89. প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া


90. ঋণ পরিশোধ না করা

91. বদ মেজাজি ও এমন অহংকারী যে উপদেশ গ্রহণ করে না

92. তাবিজ-কবজ, রিং, সুতা ইত্যাদি ঝুলানো


93. পরীক্ষায় নকল করা

94. ভেজাল পণ্য বিক্রয় করা

95. ইচ্ছাকৃত ভাবে জেনে শুনে অন্যায় বিচার করা

96. আল্লাহ বিধান ব্যতিরেকে বিচার-ফয়সালা করা

97. দুনিয়া কামানোর উদ্দেশ্যে দীনী ইলম অর্জন করা

98. কোন ইলম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে জানা সত্যেও তা গোপন করা

99. নিজের পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে দাবী করা


100. আল্লাহর রাস্তায় বাধা দেয়া

Tuesday, July 24, 2012

রমজানের অঙ্ক মিলিয়ে নিন, মিস করলে নিজেই ঠকবেন । (RAMJAN TIPS)


আসসালামুয়ালাইকুম ।  সবাই কেমন আছেন । রমজান কেমন কাটছে  । আশা করি আল্লাহর রহমতে  ভালই  । রহমত মাগফিরাত এবং নাজাতের মাস মাহে রমজান ।  এ মাসেই মহা গ্রণ্থ  আল কুরআন নাজিল হযেছিল  তাই হাজার মাসের চাইতেও মূল্যবান এ মাস  ।   এ মাসে ১টি নফল নামাজ ১টি ফরজ নামাজ এর সমান, আর ১টি ফরজ ৭০টি ফরজ নামাজ এর সমান ।  এক রাকাত নামাজ ৭০ রাকাত নামাজের সমান,  কেউ যদি ফজর-এ ২ রাকাত, জোহরে ৪ রাকাত, আসরে ৪ রাকাত, মাগরিবে ৩ রাকাত এবং এশার ৪ রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করে তবে সে ১ দিনেই ১১৯০ রাকাত শুধু ফরজ নামাজই আদায় করলো আর বাকি নামাজ গুলো যোগ করলে তার পরিমান হবে আরো অনেক বেশি ।  নিজেই অঙ্ক মিলিয়ে নিন সুযোগ হাতছাড়া করবেন নাকি এখনি লুফে নিবেন।  রোজা প্রায় ৫ টি চলে গেছে আমরা কতটুকু আমল যোগ করতে পেরেছি নিজেদের আমলনামায় ।   জীবনে আরেকবার রমজান পাবেন  তার কোনো গেরান্টি নেই,  জীবনের সকল গুনাহ মাপের এটাই সুবর্ণ সুযোগ ।  নামাজ ছাড়াও  কুরআন তিলাওয়াত এর ক্ষেত্রেও একই সুবর্ণ সুযোগ  এক অক্ষরে যেটি ১০ নেকি ছিল অন্য সময়ে, আর রমজান মাসে সেটি ৭০০ নেকি  ।  এ মাসে কাওকে ১ টাকা দান করলে ৭০ টাকাই দান করা হয়ে যাবে, ২ টাকা দান করলে ১৪০ টাকা দান করা হবে,  ২ রাকাত নামাজ পড়লে ১৪০ রাকাত নামাজ পড়া  হয়ে যাবে ।  সকল ভালো কাজেই ১ এ ৭০, সারামাস এ সুযোগ আছে সচেতন হবার সময় এখনি ।  শুধু তাই নয় সেহরী, ইফতার আর তারাবীহ নামাজের অনাবিল প্রশান্তি আপনার মনকে ১০০% পবিত্র করে দিবে  । সুরা তারাবিহ এর চাইতে খতম তারাবিহকে বেশি গুরুত্ব দিন ।  পাশাপাশি  মিথ্যা কথা বলা থেকে বিরত থাকা, যাবতীয় অন্যায় থেকে বিরত থাকা   ছাড়াও  ভালো কাজে সহযোগিতা আর  মন্দ কাজ থেকে   দুরে থাকতে পারলেই  আপনার প্রতিটি রোজা হবে পরিশুদ্ধ  ।  রোজা  আর  দোয়া  কবুলের  ক্ষেত্রে আর  কোনো অন্তরায় থাকবেনা । এ মাসে বেশি বেশি ভালো কাজ করুন যেন এ মাস থেকে শিক্ষা নিয়ে বাকি জীবন ভালোভাবে কাটাতে পারেন  । বিভিন্ন ফোরাম ব্লগ ফেইসবুক এ ভালো কাজের জন্য আহবান করুন, এতে যে সওয়াব পাবেন তাও অন্য সময়ের তুলনায় ৭০ গুন বেশি পাবেন । ইফতার এর আগে দোয়া কবুল হয় তাই এ সুযোগটিও হাতছাড়া করবেননা  । শব ই কদর এর রাতের অভাবনীয় সুযোগতো   থাকছেই যে রাতে দোয়া কবুলের ১০০% গেরান্টি  থাকে । জান্নাত লাভের সুবর্ণ সুযোগ আপনাকে হাতছানি দিয়ে যাচ্ছে  ।  এ মাসে সামর্থ্য থাকলে  কেউ ওমরাহ করেও আসতে পারেন  ।  রমজান ছাড়াও মদিনা শরিফ এ ১ রাকাত নামাজ ৫০ হাজার রাকাত নামাজের সমান আর  মক্কা শরিফ এ  ১ রাকাত নামাজ  ১ লক্ষ্ রাকাত নামাজের সমান । আর রমজান মাসে  সেই সওয়াব এর পরিমান যথাক্রমে ৩৫ লক্ষ  এবং ৭০ লক্ষ রাকাত নামাজের সমান  ।  শুধুমাত্র রমজান মাসের জন্যই এ সুযোগ ।  আমরা হয়ত অনেকেই এসব কথা জানি, যারা জানি তারা যেন মানার চেষ্টা করি, আর যারা জানিনা তারা যেন আরো জানার চেষ্টা করি  ।  ভালো থাকবেন সবাই । পোস্টটি ভালো লাগলে আমার ব্লগ অথবা ফেইসবুক পেজ এ মন্তব্য দিন  । ধন্যবাদ ।

Monday, July 9, 2012

Islamic Collection

Welcome To Islamic Collection. Islamic Songs, Islamic Quotes, Quran & Hadith Quotes, Poets & Many More Collection Of Islamic Event. Islamic Activity In Bangladesh, Dedicated Song, Gozol & More. Keep Visiting To Continue & Setup Peace In the World...
UNDER GOING CONSTRUCTION